ডেট্রয়েট, ৪ ফেব্রুয়ারি : ডেট্রয়েট সিটি কাউন্সিলের দুই সদস্য শহরের ভেতরে ফেডারেল অভিবাসন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর কার্যক্রম সীমিত বা নিষিদ্ধ করা সম্ভব কি না, তা খতিয়ে দেখার উদ্যোগ নিয়েছেন। একই সঙ্গে আরেক কাউন্সিল সদস্য জানতে চেয়েছেন, আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তারা জনসাধারণের সঙ্গে যোগাযোগের সময় মুখ ঢেকে রাখা বা নিজেদের পরিচয় গোপন করা থেকে বিরত থাকতে বাধ্য করা যায় কি না।
এ লক্ষ্যে মঙ্গলবার দুটি পৃথক স্মারকলিপি পেশ করা হয়েছে। স্মারকলিপিগুলোতে শহরের কর্পোরেশন কাউন্সেল এবং সিটি কাউন্সিলের আইন প্রণয়ন ও নীতি বিভাগকে বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করে জানাতে বলা হয়েছে—এ ধরনের কোনো অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও পাস করার আইনি ক্ষমতা শহরের আছে কি না।
এই অনুরোধগুলোর ফলে ভবিষ্যতে সিটি কাউন্সিলে ভোটাভুটির জন্য কোনো প্রস্তাব আসবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
কাউন্সিলওম্যান মেরি ওয়াটার্স পেশ করা এক স্মারকলিপিতে প্রস্তাব করেছেন, ডেট্রয়েটে আইন প্রয়োগ কার্যক্রমে নিয়োজিত “সকল সংস্থাকে” তাদের ক্ষমতা প্রয়োগের সময় বাসিন্দাদের কাছে বৈধ ও স্পষ্ট পরিচয়পত্র প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা হোক।
প্রস্তাবিত অধ্যাদেশ অনুযায়ী, আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তারা যদি তাদের নাম, ব্যাজ নম্বর এবং/অথবা মুখের একটি স্পষ্ট ও বাধাহীন দৃশ্যসহ পরিচয়পত্র প্রদর্শন না করেন, তবে সেটিকে স্থানীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। তবে শ্রেণিবদ্ধ ও ছদ্মবেশী কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে এই বিধান প্রযোজ্য হবে না।
অন্য একটি স্মারকলিপিতে কাউন্সিল সদস্য গ্যাব্রিয়েলা সান্তিয়াগো-রোমেরো জানতে চেয়েছেন, ডেট্রয়েট শহর আইনগতভাবে আইসিই-এর কার্যক্রম “নিষিদ্ধ বা সীমিত” করতে পারে কি না।
স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, “ডেট্রয়েট শহরকে এমন নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে, যা ডেট্রয়েটবাসীদের ফেডারেল সরকারের হাতে প্রতিরোধযোগ্য দুর্ভোগ ও মৃত্যুর ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে পারে।” এই উদ্যোগে কাউন্সিলম্যান কোলম্যান ইয়ং সমর্থন জানিয়েছেন। চিঠিতে ৭ জানুয়ারি মিনিয়াপলিসে আইসিই কর্মকর্তাদের গুলিতে রেনি নিকোল গুড নিহত হওয়ার ঘটনাটিও উল্লেখ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সিটি কাউন্সিলের বৈঠকে স্মারকলিপিগুলো নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি।
Source & Photo: http://detroitnews.com
নিউজটি আপডেট করেছেন : Suprobhat Michigan

সুপ্রভাত মিশিগান ডেস্ক :